আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ধর্ষণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির একটি নতুন অধ্যাদেশ সম্মতি জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। রোববার অপরাধ আইন (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০১৩ নামের ওই অধ্যাদেশে প্রণব মুখার্জি সমর্থন দেন বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। গত শুক্রবার রাতে ভারতের মন্ত্রিসভা ভার্মা কমিশনের সুপারিশ বিবেচনায় এনে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন করে। নয়াদিল্লিতে এক মেডিকেল ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে নারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও ধর্ষকদের কঠোর শাস্তির দাবে আন্দোলন শুরু হয়।
এর প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার নারী নির্যাতনসংক্রান্ত আইনে পরিবর্তন আনতে সুপারিশ প্রণয়নে একটি কমিটি গঠন করে। সাবেক বিচারপতি জে এস ভার্মাকে এই কমিটির প্রধান করা হয়। এই অধ্যাদেশে ধর্ষণের ঘটনায় অবস্থা বিশেষে মৃত্যুদণ্ড বা ২০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে ধর্ষণের সাজা হিসেবে ৭ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। গঠনের ২৯ দিনের মাথায় ভার্মা কমিশন গত ২৩ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে। শনিবার গণধর্ষণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে দ্রুত বিচার আদালত। হত্যা ও ধর্ষণসহ ১৩টি অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে । তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অভিযুক্তদের আইনজীবী এ পি সিং বলেন, “অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিচারপতিকে বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ বানোয়াট। তারা নির্দোষ।” ষষ্ঠ অভিযুক্তকিশোর হওয়া তার মামলা কিশোর আদালত হবে।

No comments:
Post a Comment