Tuesday, 16 April 2013

এই হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনবো : ওবামা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে বস্টনে বোমা হামলার পর প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, আমরা জানি না কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে যেই এর জন্য দায়ী হোক খুঁজে বের করা হবে।
একটি ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় বোমা হামলার ঘটনায় অন্তুত ২ জন নিহত ও ৯০ জন আহত হয়েছে।
সোমবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে বস্টন ম্যারাথনে পর পর দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় পুরো এলাকায় ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। একে একে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে থাকেন হতাহতরা।
ঘটনার পর বস্টনের বিমান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সাবওয়ে সার্ভিস বন্ধ রয়েছে। বোস্টন পুলিশ সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকার কিংবা কোথা ভিড় না জমানোর নির্দেশ দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ওবামা এক তাৎক্ষণিক বার্তায় বলেছেন, আমরা এই হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনবো।
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দফতর বলেছে, এ হামলা অত্যন্ত সংগঠিত ও পরিকল্পিত। তারা একে সন্ত্রাসী হামলা বলেই জানিয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ওমাবা একে সন্ত্রাসী হামলা বলেননি। তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিত করবো কে এই কাজ করেছে এবং কেনো করেছে।
বস্টন ম্যারাথনের ফিনিশিং লাইনের কাছাকাছি স্থানে বিস্ফোরণ দুটি ঘটানো হয়। প্রথম বিস্ফোরণটির কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি ঘটে।
বস্টনের ডাউনটাউন কপলে স্কয়ারে এ দুটি বোমা বিস্ফোরনের পর গোটা এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
সোমবার সকালে এই ঐতিহ্যবাহী ম্যারাথন শুরু হয়। ২৮ হাজার দৌড়বিদ এই ম্যারাথনে অংশ নেন। বোমা বিস্ফোরণের প্রায় দ্ইু ঘণ্টা আগেই ম্যারাথন সম্পন করতে শুরু করেন দৌড়বিদরা। তবে শেষের দিকেও অনেকেই তাদের দৌড় শেষ করছিলেন। ঠিক এমনই একটি সময় বেলা পৌনে তিনটার সময় বিস্ফোরণ দুটি ঘটে।
এসময় দেখা যায় দৌড়বিদদের কয়েকজনসহ, ম্যারাথনের ভলান্টিয়ার্স ও সাধারণ দর্শকরা বোমার আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে থাকেন। স্বাস্থ্যকর্মীরা দ্রুত ছুটে এসে আহতদের ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দেয় এবং পরে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। অনেককেই ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে অনেকেই তাদের হাত-পা কিংবা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হারিয়েছেন বলে হাসাপাতাল সূত্রগুলো জানিয়েছে। হাসপাতালগুলো জানায়, তাদের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছে অন্তত ৯০ জন।পরে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুটি অবিস্ফোরিত বস্তু পাওয়া যায়। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে লোকজন সরিয়ে দেয়। পুরো এলাকা সিল করে দেয়।

No comments:

Post a Comment